০২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের শেষ মুহূর্তে করা ‘গোল’ বাতিল হলো যে কারণে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • ১৩ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক

মিশরের বিপক্ষে স্টপেজ টাইমে গোল করেছিলেন ইরানের ডিফেন্ডার শোজা খালিলজাদে। সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠে গেছে ইরান। কিন্তু দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল হয়ে যায় অফসাইডে। সিয়াটল স্টেডিয়ামে ইরানের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মুখে নেমে আসে হতাশার ছায়া।

বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে, রেফারির সিদ্ধান্তটা ভুল। কারণ খালিলজাদে স্পষ্টতই মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিমের পেছনে ছিলেন না। কিন্তু ভিএআর যে লাইন টেনেছে সেটা ইব্রাহিম নয়, হামজা আবদেলকারিমের সঙ্গে।

আসলে এখানে ফুটবলের অফসাইড আইনের একটি বিরল প্রয়োগ হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা আইএফএবি-র আইন অনুযায়ী, একজন খেলোয়াড় অফসাইড হন যদি তার মাথা, শরীর বা পা বলের চেয়ে এবং প্রতিপক্ষের ‘দ্বিতীয় সর্বশেষ’ খেলোয়াড়ের চেয়ে গোললাইনের কাছে থাকে।

সাধারণত গোলরক্ষক থাকেন সবচেয়ে পেছনে। তাই শেষ ডিফেন্ডার হন গোলরক্ষক এবং দ্বিতীয় সর্বশেষ হন বাইরের একজন ডিফেন্ডার। কিন্তু এই ঘটনায় মিশরের গোলরক্ষক শোবেইর আগের শট বাঁচাতে গিয়ে গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন। ফলে সবচেয়ে পেছনে ছিলেন ইব্রাহিম, আর দ্বিতীয় সর্বশেষ ছিলেন আবদেলকারিম। খালিলজাদে ঠিক এই আবদেলকারিমের চেয়ে সামান্য এগিয়ে ছিলেন, তাই আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্তটি সঠিক।

এই বিরল পরিস্থিতি যেখানে গোলরক্ষক শেষ রক্ষক নন, সেখানে অফসাইড বিচার হয় একটু অন্যভাবে। আর সেই অল্প সেন্টিমিটারের ব্যবধানেই ভেঙে গেল ইরানের ঐতিহাসিক স্বপ্ন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সহায়তায় চলতি অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন: পানিসম্পদমন্ত্রী

ইরানের শেষ মুহূর্তে করা ‘গোল’ বাতিল হলো যে কারণে

Update Time : ০১:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক

মিশরের বিপক্ষে স্টপেজ টাইমে গোল করেছিলেন ইরানের ডিফেন্ডার শোজা খালিলজাদে। সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠে গেছে ইরান। কিন্তু দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল হয়ে যায় অফসাইডে। সিয়াটল স্টেডিয়ামে ইরানের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মুখে নেমে আসে হতাশার ছায়া।

বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে, রেফারির সিদ্ধান্তটা ভুল। কারণ খালিলজাদে স্পষ্টতই মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিমের পেছনে ছিলেন না। কিন্তু ভিএআর যে লাইন টেনেছে সেটা ইব্রাহিম নয়, হামজা আবদেলকারিমের সঙ্গে।

আসলে এখানে ফুটবলের অফসাইড আইনের একটি বিরল প্রয়োগ হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা আইএফএবি-র আইন অনুযায়ী, একজন খেলোয়াড় অফসাইড হন যদি তার মাথা, শরীর বা পা বলের চেয়ে এবং প্রতিপক্ষের ‘দ্বিতীয় সর্বশেষ’ খেলোয়াড়ের চেয়ে গোললাইনের কাছে থাকে।

সাধারণত গোলরক্ষক থাকেন সবচেয়ে পেছনে। তাই শেষ ডিফেন্ডার হন গোলরক্ষক এবং দ্বিতীয় সর্বশেষ হন বাইরের একজন ডিফেন্ডার। কিন্তু এই ঘটনায় মিশরের গোলরক্ষক শোবেইর আগের শট বাঁচাতে গিয়ে গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন। ফলে সবচেয়ে পেছনে ছিলেন ইব্রাহিম, আর দ্বিতীয় সর্বশেষ ছিলেন আবদেলকারিম। খালিলজাদে ঠিক এই আবদেলকারিমের চেয়ে সামান্য এগিয়ে ছিলেন, তাই আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্তটি সঠিক।

এই বিরল পরিস্থিতি যেখানে গোলরক্ষক শেষ রক্ষক নন, সেখানে অফসাইড বিচার হয় একটু অন্যভাবে। আর সেই অল্প সেন্টিমিটারের ব্যবধানেই ভেঙে গেল ইরানের ঐতিহাসিক স্বপ্ন।