১২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেদারল্যান্ডসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু বাংলাদেশের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ৬ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। নিজের অভিষেক বিশ্বকাপ ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা।

বার্মিংহামে আজ (১৪ জুন) নেদারল্যান্ডসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ২ পয়েন্ট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।

টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৯ রান করে নেদারল্যান্ডস। জবাব দিতে নেমে ৫ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় বাংলাদেশ।

রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা হয় দারুণ। ওপেনিংয়ে দিলারা আক্তার এবং জুয়াইরিয়া ফেরদৌস মিলে গড়েন ৬৭ রানের জুটি।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন জয়িতা। ৩২ বলে তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম ফিফটি। তবে ফিফটি পূর্ণ করার পরের বলেই ডি লাঙ্গের শিকার হয়ে ফেরেন এই ওপেনার।

অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি খেলেছেন কেবল ১ বল। প্রথম বলেই ডি লাঙ্গের শিকার হয়ে ফেরেন টাইগ্রেস অধিনায়ক।

নিগারের বিদায়ের পর ১৮ রানের ব্যবধানে দিলারা আক্তার এবং সোবহানা মোস্তারির উইকেটও হারায় বাংলাদেশ।

তবে চাপের মুখে বড় জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দেন শারমিন আক্তার এবং স্বর্ণা আক্তার। পঞ্চম উইকেটে দুজনে মিলে গড়েন ৫৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। তাতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
৩২ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন শারমিন। উইনিং বাউন্ডারি মারা স্বর্ণা করেছেন ১৮ রান।

এর আগে বোলিংয়ে নেমে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মারুফা আক্তার। ডাচদের দলীয় ১৪ রানে ফিবি মোলকেনবোয়ারকে ফেরান মারুফা। দলকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন ফারিহা তৃষ্ণা। তিনি ফেরান ১৬ রান করা আরেক ওপেনার হেদার সিজারসকে।

নেদারল্যান্ডসের এই দলের শক্তির মূল জায়গা তাদের টপ অর্ডার। সেই টপ অর্ডার ব্যাটারদেরই দ্রুত সাজঘরে ফিরিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা।

দলকে সবচেয়ে বড় উইকেটটা এনে দেন রাবেয়া খান। ডাচদের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ব্যাটার স্টেয়ার ক্যালিসকে মাত্র ৪ রানে সাজঘরে ফেরান এই স্পিনার। রবিন রিজেকে এবং সানিয়া খুরানাকে যথাক্রমে দলীয় ৭১ এবং ৭৬ রানে হারায় নেদারল্যান্ডস।

এক প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও অন্য প্রান্ত আগলে ব্যাটিং করছিলেন ডাচ অধিনায়ক বারবেট ডি লিড। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তাকে ভালোই সঙ্গ দেন ফ্রেডরিক ওভারডিক। এই দুজনে মিলে ৩৭ রানের জুটি গড়েন।

বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে নেমে ফিফটি তুলে নেন ডি লিড। ৪৫ বলে ৫০ রান করে ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি। ওভারডিকও হন রান আউট।

১৫ ওভার ৫ বলে ১১৩ রান নিয়ে প্রায় দেড়শ’র বেশি রানের সংগ্রহের দিকে এগোচ্ছিল নেদারল্যান্ডস। তবে ওই দুই রান আউটে ডাচদের রানটা অত এগোয়নি। নবম উইকেটে সিলভার সিজারস এবং ইরিস জুইলিংয়ের ২৩ রানের জুটিতে ১৩৯ রানে থামে ডাচরা।

বাংলাদেশের হয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন মারুফা। একটি করে উইকেট পেয়েছেন ফারিহা তৃষ্ণা, সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান এবং রিতু মনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

শাশুড়ি–জামাইয়ের ‘অবৈধ সম্পর্ক’ দেখে ফেলায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

নেদারল্যান্ডসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু বাংলাদেশের

Update Time : ০৭:০১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। নিজের অভিষেক বিশ্বকাপ ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা।

বার্মিংহামে আজ (১৪ জুন) নেদারল্যান্ডসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ২ পয়েন্ট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।

টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৯ রান করে নেদারল্যান্ডস। জবাব দিতে নেমে ৫ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় বাংলাদেশ।

রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা হয় দারুণ। ওপেনিংয়ে দিলারা আক্তার এবং জুয়াইরিয়া ফেরদৌস মিলে গড়েন ৬৭ রানের জুটি।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন জয়িতা। ৩২ বলে তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম ফিফটি। তবে ফিফটি পূর্ণ করার পরের বলেই ডি লাঙ্গের শিকার হয়ে ফেরেন এই ওপেনার।

অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি খেলেছেন কেবল ১ বল। প্রথম বলেই ডি লাঙ্গের শিকার হয়ে ফেরেন টাইগ্রেস অধিনায়ক।

নিগারের বিদায়ের পর ১৮ রানের ব্যবধানে দিলারা আক্তার এবং সোবহানা মোস্তারির উইকেটও হারায় বাংলাদেশ।

তবে চাপের মুখে বড় জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দেন শারমিন আক্তার এবং স্বর্ণা আক্তার। পঞ্চম উইকেটে দুজনে মিলে গড়েন ৫৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। তাতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
৩২ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন শারমিন। উইনিং বাউন্ডারি মারা স্বর্ণা করেছেন ১৮ রান।

এর আগে বোলিংয়ে নেমে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মারুফা আক্তার। ডাচদের দলীয় ১৪ রানে ফিবি মোলকেনবোয়ারকে ফেরান মারুফা। দলকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন ফারিহা তৃষ্ণা। তিনি ফেরান ১৬ রান করা আরেক ওপেনার হেদার সিজারসকে।

নেদারল্যান্ডসের এই দলের শক্তির মূল জায়গা তাদের টপ অর্ডার। সেই টপ অর্ডার ব্যাটারদেরই দ্রুত সাজঘরে ফিরিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা।

দলকে সবচেয়ে বড় উইকেটটা এনে দেন রাবেয়া খান। ডাচদের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ব্যাটার স্টেয়ার ক্যালিসকে মাত্র ৪ রানে সাজঘরে ফেরান এই স্পিনার। রবিন রিজেকে এবং সানিয়া খুরানাকে যথাক্রমে দলীয় ৭১ এবং ৭৬ রানে হারায় নেদারল্যান্ডস।

এক প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও অন্য প্রান্ত আগলে ব্যাটিং করছিলেন ডাচ অধিনায়ক বারবেট ডি লিড। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তাকে ভালোই সঙ্গ দেন ফ্রেডরিক ওভারডিক। এই দুজনে মিলে ৩৭ রানের জুটি গড়েন।

বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে নেমে ফিফটি তুলে নেন ডি লিড। ৪৫ বলে ৫০ রান করে ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি। ওভারডিকও হন রান আউট।

১৫ ওভার ৫ বলে ১১৩ রান নিয়ে প্রায় দেড়শ’র বেশি রানের সংগ্রহের দিকে এগোচ্ছিল নেদারল্যান্ডস। তবে ওই দুই রান আউটে ডাচদের রানটা অত এগোয়নি। নবম উইকেটে সিলভার সিজারস এবং ইরিস জুইলিংয়ের ২৩ রানের জুটিতে ১৩৯ রানে থামে ডাচরা।

বাংলাদেশের হয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন মারুফা। একটি করে উইকেট পেয়েছেন ফারিহা তৃষ্ণা, সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান এবং রিতু মনি।