০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ৪-৫ বছর লাগে: গভর্নর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩২৯ Time View

সবুজদিন অনলাইন ডেস্ক।।
বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে ৪–৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে তা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, এ বিষয়ে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক।
কতগুলো কেস চিহ্নিত করা গেছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সংখ্যাটা এই মুহূর্তে মনে নেই। অনেকগুলো মামলা হয়েছে।
মামলা থেকে অর্থ ফেরত আসার বিষয়ে কোনো আশাবাদ পাওয়া যাচ্ছে কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, আমাদের বাস্তবতা বলতে হবে। বিদেশ থেকে অর্থ আনতে ৪ থেকে ৫ বছর লাগে। এর নিচে হয় না। আমরা খুবই ভাগ্যবান হব, যদি লন্ডন থেকে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মামলার সমাধান হয়ে যায়। কারণ, মামলাটি তারা লড়েইনি। ফলে এমনিতেই তারা মামলাটি হেরে গেছে। সেখানে একটা সুযোগ আছে। সে টাকা কবে আসবে, সেটা আমি বলতে পারব না। ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে বা জুন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
তিনি বলেন, বাকিগুলো আবেদনের ওপর নির্ভর করে। এটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের ধারণা, সাইফুজ্জামান মামলা লড়েনি বলেই সে এমনিতেই হেরে গেছে।
এস আলম গ্রুপের বিষয়ে জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম আরবিট্রেশন ফাইল মিউটেশন করেছে। চোরের মার বড় গলা। আমরা মামলাটা লড়ব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচনে প্রানকৃষ্ণ দাশ সভাপতি নির্বাচিত

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ৪-৫ বছর লাগে: গভর্নর

Update Time : ০৯:১৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

সবুজদিন অনলাইন ডেস্ক।।
বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে ৪–৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে তা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, এ বিষয়ে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক।
কতগুলো কেস চিহ্নিত করা গেছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সংখ্যাটা এই মুহূর্তে মনে নেই। অনেকগুলো মামলা হয়েছে।
মামলা থেকে অর্থ ফেরত আসার বিষয়ে কোনো আশাবাদ পাওয়া যাচ্ছে কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, আমাদের বাস্তবতা বলতে হবে। বিদেশ থেকে অর্থ আনতে ৪ থেকে ৫ বছর লাগে। এর নিচে হয় না। আমরা খুবই ভাগ্যবান হব, যদি লন্ডন থেকে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মামলার সমাধান হয়ে যায়। কারণ, মামলাটি তারা লড়েইনি। ফলে এমনিতেই তারা মামলাটি হেরে গেছে। সেখানে একটা সুযোগ আছে। সে টাকা কবে আসবে, সেটা আমি বলতে পারব না। ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে বা জুন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
তিনি বলেন, বাকিগুলো আবেদনের ওপর নির্ভর করে। এটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের ধারণা, সাইফুজ্জামান মামলা লড়েনি বলেই সে এমনিতেই হেরে গেছে।
এস আলম গ্রুপের বিষয়ে জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম আরবিট্রেশন ফাইল মিউটেশন করেছে। চোরের মার বড় গলা। আমরা মামলাটা লড়ব।