বিনোদন ডেস্ক
ডিস্কো ড্যান্সারখ্যাত কিংবদন্তি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও যোগিতা বালী বিয়ে করেন ১৯৭৯ সালে। তাদের ঘরে তিন পুত্রসন্তান— মিমো, উষ্মে ও নমোশি। তিন পুত্রের পর কন্যাসন্তানের বাবা হন এ বর্ষীয়ান অভিনেতা। দিশানীকে তিনি দত্তক নিয়েছিলেন।
বহু বছর আগেকার কথা। কলকাতার রাস্তা থেকে এক শিশুকন্যাকে দেখতে পান কয়েকজন পথচারী। খবর যায় পুলিশের কাছে। উদ্ধার করা হয় ওই শিশুটিকে। তাকেই দত্তক নিয়েছিলেন মিঠুন-যোগিতা দম্পতি। এবার সেই মিঠুনকন্যার বাগদান সারলেন মিঠুন। দীর্ঘ দিনের প্রেমিক মাইলস ম্যান্টজারিসের সঙ্গে বাগদান সেরেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন মিঠুনপুত্র মিমো চক্রবর্তী।
সম্প্রতি মিঠুনকন্যা দিশানী চক্রবর্তী থাকেন লস অ্যাঞ্জেলেসে। ছোট থেকেই অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছা তার। সেখানেই নিউইয়র্ক ফিল্ম অ্যাকাডেমিতে অভিনয় নিয়ে পড়াশোনা করেছেন দিশানী। সেখানেই বাগদান সেরেছেন। বোনের বাগদান নিয়ে উচ্ছ্বসিত মিমো। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেছেন, বাড়ির সবাই খুব খুশি ওর আনন্দে। এখনো আমরা এই সুখবরের রেশ উপভোগ করছি।
তিনি বলেন, দিশানী আমাদের ছোট বোনের মতো। তাই এ খবর আমরা ভাইয়েরা তো আবেগপ্রবণ বটেই। তবে আমাদের বাবা-মা আরও বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন। এমন মুহূর্তই বুঝিয়ে দেয় পরিবারের বন্ধন কতটা গুরুত্বপূর্ণ। মনে হচ্ছে, এ বছরটা আমাদের জন্য খুব ইতিবাচক।
দিশানীর সঙ্গে তারা কথা বলেছেন। একটি অনলাইনের মাধ্যমে কথা হয়েছে তাদের। দিশানীর মুখে সুখবর পেয়েই আনন্দ উপভোগ করছেন তিনি। হবু জামাইকে পরিবারের অংশ হিসেবে স্বাগত জানাতেও খুবই আগ্রহী মিমো।
এ অভিনেতা বলেন, আমরা ভাইবোনেরা ভিডিওকলে কথা বলেছি। ওকে এত খুশি দেখে একজন দাদা হিসাবে আমার খুব ভালো লেগেছে। কথা বলতে বলতে আমার চোখে পানি চলে এসেছিল। এটা আমাদের জন্য খুব আবেগের মুহূর্ত।
জানা গেছে, আগামী ৬ ডিসেম্বর বিয়ের পরিকল্পনা করেছেন দিশানী চক্রবর্তী। তাই পরিবারের হাতে প্রস্তুতির জন্য কিছুটা সময় রয়েছে। মিমো বলেন, সেই বিশেষ দিনের প্রস্তুতির জন্য আমাদের হাতে সময় আছে। এখন অনেক কিছু পরিকল্পনা করা বাকি রয়েছে। দুই পরিবারের জন্যই অনেক কাজ রয়েছে। এবার কোথায় বিয়ে হবে, ভারতে না কি আমেরিকায়, সেই সিদ্ধান্ত দিশানী এবং ওর হবু স্বামীর।
তিনি বলেন, বিয়ে সবসময়ই বিশেষ একটি বিষয়। আর যখন এমন কেউ বিয়ে করে যাকে পুরো পরিবার ভালোবাসে, তখন হইচই দ্বিগুণ বেড়ে যায়। কী উপহার দেবেন বোনকে? এমন প্রশ্নের উত্তরে এ অভিনেতা বলেন, উপহারের কথা বলতে গেলে— আমি এমন কিছু দিতে চাই, যা ওর সঙ্গে সবসময় থাকবে। আমার স্ত্রী এসব বিষয়ে খুব ভালো এবং পরিকল্পনা করতেও বেশি দক্ষ।
নিজের বোনের সঙ্গে দেখা করতে শিগগিরই বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মিমোর। নিজের বিয়ের স্মৃতিও মনে পড়ে গেছে তার। সেই সময়ে ব্যস্ততা ছিল। কিন্তু বোনের বিয়ে পুরোদমে উপভোগ করবেন বলে আশা মিমোর।
Reporter Name 






















