১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৪ জ্বালানিবাহী জাহাজের ২৭টি খালাস

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ২৭ Time View

নিউজ ডেস্ক

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যস্ত সময় পার করছে চট্টগ্রাম বন্দর। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও তেলবাহী মোট ৩৪টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর ও জেটিতে অবস্থান করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ২৭টি জাহাজ এরই মধ্যে পণ্য খালাস শেষ করে বন্দর ত্যাগ করেছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মোট ৩৪টি জাহাজের মধ্যে ২৭টি জাহাজ সফলভাবে পণ্য খালাস সম্পন্ন করে গন্তব্যে ফিরে গেছে।
এর মধ্যে কাতার ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা এলএনজি জাহাজ আল জুর, লুসাইল ও প্রাচী অন্যতম। এ ছাড়া ওমান, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে আসা এলপিজি জাহাজ মর্নিং জেন, এপিক সান্টার এবং সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্যাস অয়েলবাহী জাহাজ গ্রান কুভা তাদের কার্যক্রম শেষ করে বন্দর ত্যাগ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে তিনটি জাহাজ সরাসরি খালাস প্রক্রিয়ায় যুক্ত বা অপেক্ষমাণ। এর মধ্যে ওমান থেকে আসা জাহাজ বিডব্লিউইকে বর্নহোম (এলপিজি) বর্তমানে সীতাকুণ্ড পয়েন্টে অবস্থান করছে।
থাইল্যান্ড থেকে আসা জাহাজ এবি অলিভিয়া (বেইস অয়েল) বর্তমানে বন্দরের ডিওজে/৪ জেটিতে অবস্থান করছে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্রান কুভা (গ্যাস অয়েল) জাহাজটি বর্তমানে কুতুবদিয়া পয়েন্টে অবস্থান করছে।
জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে আগামী কয়েক দিনে আরও চারটি বড় জাহাজ বন্দরে ভেড়ার অপেক্ষায় আছে। এর মধ্যে কাতার থেকে আসা এইচএল পাফিন (এলএনজি) জাহাজটি গতকাল পৌঁছার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত বন্দরে পৌঁছেনি।
ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা জাহাজ নিউ ব্রেভ (এলএনজি) আজ বন্দরে পৌঁছবে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা জাহাজ পিভিটি সোলানা (গ্যাস অয়েল) আগামী ৩১ মার্চ পৌঁছার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বিশাল জাহাজ সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস (এলএনজি) আগামী ৪ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। মূলত কাতার, অস্ট্রেলিয়া, ওমান ও সিঙ্গাপুর থেকে আসা এসব জাহাজে দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস ও জ্বালানি তেল রয়েছে।
ট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, ‘জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দিচ্ছি।
দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা সচল রাখা হয়েছে। এসব জ্বালানি জাহাজের আগমন এবং দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া দেশের শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশ্নফাঁসের প্রচারণাটি স্রেফ গুজব: শিক্ষামন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৪ জ্বালানিবাহী জাহাজের ২৭টি খালাস

Update Time : ০৮:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

নিউজ ডেস্ক

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যস্ত সময় পার করছে চট্টগ্রাম বন্দর। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও তেলবাহী মোট ৩৪টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর ও জেটিতে অবস্থান করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ২৭টি জাহাজ এরই মধ্যে পণ্য খালাস শেষ করে বন্দর ত্যাগ করেছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মোট ৩৪টি জাহাজের মধ্যে ২৭টি জাহাজ সফলভাবে পণ্য খালাস সম্পন্ন করে গন্তব্যে ফিরে গেছে।
এর মধ্যে কাতার ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা এলএনজি জাহাজ আল জুর, লুসাইল ও প্রাচী অন্যতম। এ ছাড়া ওমান, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে আসা এলপিজি জাহাজ মর্নিং জেন, এপিক সান্টার এবং সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্যাস অয়েলবাহী জাহাজ গ্রান কুভা তাদের কার্যক্রম শেষ করে বন্দর ত্যাগ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে তিনটি জাহাজ সরাসরি খালাস প্রক্রিয়ায় যুক্ত বা অপেক্ষমাণ। এর মধ্যে ওমান থেকে আসা জাহাজ বিডব্লিউইকে বর্নহোম (এলপিজি) বর্তমানে সীতাকুণ্ড পয়েন্টে অবস্থান করছে।
থাইল্যান্ড থেকে আসা জাহাজ এবি অলিভিয়া (বেইস অয়েল) বর্তমানে বন্দরের ডিওজে/৪ জেটিতে অবস্থান করছে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্রান কুভা (গ্যাস অয়েল) জাহাজটি বর্তমানে কুতুবদিয়া পয়েন্টে অবস্থান করছে।
জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে আগামী কয়েক দিনে আরও চারটি বড় জাহাজ বন্দরে ভেড়ার অপেক্ষায় আছে। এর মধ্যে কাতার থেকে আসা এইচএল পাফিন (এলএনজি) জাহাজটি গতকাল পৌঁছার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত বন্দরে পৌঁছেনি।
ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা জাহাজ নিউ ব্রেভ (এলএনজি) আজ বন্দরে পৌঁছবে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা জাহাজ পিভিটি সোলানা (গ্যাস অয়েল) আগামী ৩১ মার্চ পৌঁছার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বিশাল জাহাজ সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস (এলএনজি) আগামী ৪ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। মূলত কাতার, অস্ট্রেলিয়া, ওমান ও সিঙ্গাপুর থেকে আসা এসব জাহাজে দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস ও জ্বালানি তেল রয়েছে।
ট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, ‘জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দিচ্ছি।
দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা সচল রাখা হয়েছে। এসব জ্বালানি জাহাজের আগমন এবং দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া দেশের শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।