০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোজার শুরুতেই পাইকগাছায় মাছ-মাংস,সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার চড়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩২৩ Time View

প্রকাশ ঘোষ বিধান (খুলনা) পাইকগাছা ঃ

রমজান শুরু হতেই পাইকগাছার বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দেখা দিয়েছে দামের ঊর্ধ্বগতি। সবজি থেকে শুরু করে মাছ, মাংস, চাল, তেল, খেজুর, কলাসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। সব ধরনের মাছ কেজিতে ৫০ থেকে একশো টাকা পর্যন্ত
বেড়েছে। ফলে অস্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী বাজারমূল্যে ক্রেতারা রয়েছেন বিপাকে। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, লেবু, বেগুন, লাউ, কুমড়ো,করলা,খিরাই ,ফুলকপি,পাতাকপি, লালশাক, ডাটা,কাচাঁ মরিচের দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি পণ্যের দাম ২০-৪০ টাকা বেড়েছে। বাজারে সবজির সরবরাহ না কমলেও ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। এতে ক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। বেগুনের দাম ছিল ৪০ টাকা এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। বিশেষ করে লেবুর দাম বেড়েছে খুব বেশি। লেবুর দাম ছিল প্রতিহালি ছিল ৪০ টাকা। রমজান উপলক্ষে এখন বাজারে প্রতিহালি লেবু ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৬০ টাকার খিরাই বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। ৬০ টাকার পাকা কলা ৮০ থেকে একশত টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানের উপকরণ সব থেকে কম দামের দেড়শত টাকার খেজুর প্রতি ২৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, তাছাড়া প্রতি কেজি খেজুর ৪শ থেকে ১২শ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। মাংস ও সব ধরনের মাছ কেজিতে ৫০ থেকে একশো টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রমজান উপলক্ষে এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতারা রয়েছেন বিপকে। বাজার করতে আসা শ্রমজীবী
মানুষ খায়রুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছরই রমজানের শুরুতেই আমাদের দেশে বাজারে প্রতিটি পণ্যের
দামই বাড়ে। আমরা গরিব মানুষ বাজারে এসে জিনিস পত্র কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষ
করে বেগুন,লেবু, গুড়, মুড়ি, খেজুর,পাকা কলা, খিরাইয়ের দাম বেড়েছে দিগুন। যা এক সপ্তাহ আগেও
ছিল অর্ধেক দাম।
পবিত্র রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি রোধে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন,
থানা পুলিশ ও বাজার কমিটির সহযোগিতায় পাইকগাছা বাজার মনিটরিং করা হয়। পুরো রমজান মাস ধরে
এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিট্রেট
মোঃ ফজলে রাব্বী ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মালদ্বীপ পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

রোজার শুরুতেই পাইকগাছায় মাছ-মাংস,সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার চড়া

Update Time : ০১:১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রকাশ ঘোষ বিধান (খুলনা) পাইকগাছা ঃ

রমজান শুরু হতেই পাইকগাছার বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দেখা দিয়েছে দামের ঊর্ধ্বগতি। সবজি থেকে শুরু করে মাছ, মাংস, চাল, তেল, খেজুর, কলাসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। সব ধরনের মাছ কেজিতে ৫০ থেকে একশো টাকা পর্যন্ত
বেড়েছে। ফলে অস্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী বাজারমূল্যে ক্রেতারা রয়েছেন বিপাকে। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, লেবু, বেগুন, লাউ, কুমড়ো,করলা,খিরাই ,ফুলকপি,পাতাকপি, লালশাক, ডাটা,কাচাঁ মরিচের দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি পণ্যের দাম ২০-৪০ টাকা বেড়েছে। বাজারে সবজির সরবরাহ না কমলেও ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। এতে ক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। বেগুনের দাম ছিল ৪০ টাকা এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। বিশেষ করে লেবুর দাম বেড়েছে খুব বেশি। লেবুর দাম ছিল প্রতিহালি ছিল ৪০ টাকা। রমজান উপলক্ষে এখন বাজারে প্রতিহালি লেবু ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৬০ টাকার খিরাই বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। ৬০ টাকার পাকা কলা ৮০ থেকে একশত টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানের উপকরণ সব থেকে কম দামের দেড়শত টাকার খেজুর প্রতি ২৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, তাছাড়া প্রতি কেজি খেজুর ৪শ থেকে ১২শ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। মাংস ও সব ধরনের মাছ কেজিতে ৫০ থেকে একশো টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রমজান উপলক্ষে এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতারা রয়েছেন বিপকে। বাজার করতে আসা শ্রমজীবী
মানুষ খায়রুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছরই রমজানের শুরুতেই আমাদের দেশে বাজারে প্রতিটি পণ্যের
দামই বাড়ে। আমরা গরিব মানুষ বাজারে এসে জিনিস পত্র কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষ
করে বেগুন,লেবু, গুড়, মুড়ি, খেজুর,পাকা কলা, খিরাইয়ের দাম বেড়েছে দিগুন। যা এক সপ্তাহ আগেও
ছিল অর্ধেক দাম।
পবিত্র রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি রোধে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন,
থানা পুলিশ ও বাজার কমিটির সহযোগিতায় পাইকগাছা বাজার মনিটরিং করা হয়। পুরো রমজান মাস ধরে
এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিট্রেট
মোঃ ফজলে রাব্বী ।