০৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩ মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানো হলো দীপু মনিকে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৯৮ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের করা তিনটি মামলায় চাঁদপুর আদালতে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে পতিত আওয়ামী সরকারের সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নানের আদালতে ভার্চ্যুয়ালি তাকে হাজির দেখানো হয় । আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জিআর ৫৭৯ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিন্টু দত্ত, জিআর ৫৭১ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নাদির শাহ্ ও জিআর ৫৮৫ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নুরে আলম আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাদির শাহ্ বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি (বর্তমান এমপি) শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকে বাসায় ২০২৪ সালে ১৮ জুলাই ও ৪ আগস্ট দুইবার ভাংচুর, আগুন ও লুটপাট করা হয়। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১ নম্বর আসামি দীপু মনি। তার নির্দেশে অন্যান্য আসামিরা এই ঘটনা ঘটায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্টু দত্ত বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১ নম্বর আসামি দীপু মনির ইন্ধনে অন্যান্য আসামিরা ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। আরেক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুরে আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ১নম্বর আসামী দীপু মনির নির্দেশে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সড়ক ভবনের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় অন্যান্য আসামিরা। ওই মামলা দীপু মনিকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। তিনটি মামলায় আসামি দীপু মনির পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। দীপু মনি নিজেই তার মামলার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেন। আদালত থেকে জানানো হয়, তিনটি ঘটনা চাঁদপুরে সংঘটিত হয়। দীপু মনিকে এজাহারে নির্দেশ ও ইন্ধনদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। আসামি বলেছেন তিনি জড়িত ছিলেন না। তদন্তের স্বার্থে তিনটি মামলায় আসামির শোন অ্যারেস্ট মঞ্জুর করে বিচারক। আসামি বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন জিপি অ্যাডভোকেট এ জেড এম রফিকুল হাসান রিপন, স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা মুক্তা, সিনিয়র আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউরিটির হারুনুর রশিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, সম্পাদক জাকির হোসেন ফয়সালসহ বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পত্রিকা: ‘দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের ওপর নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর’

৩ মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানো হলো দীপু মনিকে

Update Time : ০৮:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের করা তিনটি মামলায় চাঁদপুর আদালতে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে পতিত আওয়ামী সরকারের সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নানের আদালতে ভার্চ্যুয়ালি তাকে হাজির দেখানো হয় । আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জিআর ৫৭৯ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিন্টু দত্ত, জিআর ৫৭১ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নাদির শাহ্ ও জিআর ৫৮৫ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নুরে আলম আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাদির শাহ্ বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি (বর্তমান এমপি) শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকে বাসায় ২০২৪ সালে ১৮ জুলাই ও ৪ আগস্ট দুইবার ভাংচুর, আগুন ও লুটপাট করা হয়। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১ নম্বর আসামি দীপু মনি। তার নির্দেশে অন্যান্য আসামিরা এই ঘটনা ঘটায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্টু দত্ত বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১ নম্বর আসামি দীপু মনির ইন্ধনে অন্যান্য আসামিরা ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। আরেক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুরে আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ১নম্বর আসামী দীপু মনির নির্দেশে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সড়ক ভবনের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় অন্যান্য আসামিরা। ওই মামলা দীপু মনিকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। তিনটি মামলায় আসামি দীপু মনির পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। দীপু মনি নিজেই তার মামলার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেন। আদালত থেকে জানানো হয়, তিনটি ঘটনা চাঁদপুরে সংঘটিত হয়। দীপু মনিকে এজাহারে নির্দেশ ও ইন্ধনদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। আসামি বলেছেন তিনি জড়িত ছিলেন না। তদন্তের স্বার্থে তিনটি মামলায় আসামির শোন অ্যারেস্ট মঞ্জুর করে বিচারক। আসামি বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন জিপি অ্যাডভোকেট এ জেড এম রফিকুল হাসান রিপন, স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা মুক্তা, সিনিয়র আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউরিটির হারুনুর রশিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, সম্পাদক জাকির হোসেন ফয়সালসহ বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।