লাইফস্টাইল ডেস্ক
গরমের তীব্রতায় ত্বকের স্বাভাবিক ভারসাম্য সহজেই নষ্ট হয়ে যায়। অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে ধুলোবালি ও দূষণ মিশে ত্বকের উপর এক ধরনের স্তর তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই জমে থাকা ময়লা ত্বককে নিস্তেজ করে তোলে, বাড়িয়ে দেয় কালচে ভাব, ব্রণ এবং বিভিন্ন ধরনের র্যাশের সমস্যা। ফলে আয়নার সামনে দাঁড়ালে অনেক সময়ই মনে হয়, ত্বকের আগের উজ্জ্বলতা যেন হারিয়ে গেছে। এই সমস্যা থেকে মুক্তির সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকর উপায় হলো নিয়মিত এক্সফোলিয়েশন অর্থাৎ ত্বকের উপর জমে থাকা মৃত কোষ পরিষ্কার করা।
আগেকার দিনে এ জন্য আলাদা কোনো প্রসাধনী ছিল না। তখন ঘরোয়া উপাদানই ছিল ভরসা। মা-ঠাকুমারা গোসলের আগে দুধের সর, ময়দা কিংবা শুকনো কমলালেবুর খোসা গুঁড়ো করে প্রাকৃতিক স্ক্রাব বানাতেন। উদ্দেশ্য ছিল একটাই-ত্বকের মৃত কোষ দূর করে তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা। আজও সেই ঘরোয়া উপাদানের জনপ্রিয়তা কমেনি। বরং সহজলভ্য কিছু প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি স্ক্রাব ত্বকের যত্নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। নিচে রইল গরমে ব্যবহারযোগ্য কিছু ঘরোয়া ফেস-স্ক্রাব—
কফি ও টক দইয়ের স্ক্রাব
কফিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। অন্যদিকে টক দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের দাগছোপ হালকা করতে ভূমিকা রাখে। এক চামচ কফি পাউডারের সঙ্গে এক চামচ টক দই মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করুন। মুখে আলতোভাবে ম্যাসাজ করে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে ত্বক সতেজ অনুভূত হবে।
হাইড্রেটিং স্ক্রাব
গরমে শুষ্ক ত্বকের আর্দ্রতা আরও কমে যায়, ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে ট্যান পড়ার সম্ভাবনা বাড়ে। এই সমস্যা সমাধানে হাইড্রেটিং স্ক্রাব বেশ কার্যকর। ৫–৬টি কাঠবাদাম গুঁড়ো করে তার সঙ্গে তরমুজের রস এবং এক চামচ ঠান্ডা দুধের সর বা মালাই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এটি ত্বকে লাগিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
অ্যালোভেরা ও শসার স্ক্রাব
অ্যালোভেরা দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে পরিচিত। এটি ত্বক ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন ত্বকের সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে। শসার সঙ্গে অ্যালো ভেরা মিশিয়ে ব্লেন্ড করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। স্নানের আগে মুখ ও শরীরে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললে ত্বক সতেজ থাকে এবং রোদে পোড়া জ্বালাভাবও কমে যায়।
Reporter Name 

























