০৭:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চার বছর পর ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা হালনাগাদ, বাদ যাবে সচ্ছলরা: অর্থমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ৭ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাজেটে ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এই কর্মসূচির কে কোথায় কীভাবে টাকা খরচ করছে, তা ছয় মাস পর পর্যালোচনা করা হবে। আর প্রতি চার বছর পর পর তালিকা হালনাগাদ করা হবে, যেখানে সচ্ছল ব্যক্তিদের বাদ দেওয়া হবে।

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভা শেষে কথা তিনি এসব কথা বলেন। ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই নীতির ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের এতো বড় কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। এখানে কোনো দলীয় লোকজন যুক্ত থাকবেন না। প্রথমবারের মতো সরকারের কোনো সামাজিক কর্মসূচিতে দলীয় লোকজন থাকছেন না। এ কর্মসূচি নিয়ে শুধু সরকারি কর্মকর্তারাই কাজ করবেন। একইসঙ্গে ধাপে ধাপে প্রতিটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

তিনি আরও বলেন, সোনালী ব্যাংকের ‘টাকা পে’ অ্যাপ ব্যবহার করে এই অর্থ বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে মোট ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার এই কার্ডের আওতায় আসবে। বরাদ্দকৃত অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং স্থিতিশীলতা থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে নিয়ে যাওয়াই এবারের বাজেটের চ্যালেঞ্জ। এবারের বাজেটের সুফল যাতে সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে, সে লক্ষ্যেই এগিয়ে যাওয়া হবে। তা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার।

অন্যদিকে, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। চট্টগ্রামে ছয়টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা গেছে, এর মধ্যে পাঁচটি পরিবারই রোহিঙ্গা। তবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) চাওয়ার পর তারা আর ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিতে আসছেন না।

তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো পরিবারের নারীদের নামে সিম না থাকায় টাকা প্রদান করতে সমস্যা হয়েছে। এ কারণে বাজেটে বিনা মূল্যে সিম দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি

চার বছর পর ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা হালনাগাদ, বাদ যাবে সচ্ছলরা: অর্থমন্ত্রী

Update Time : ০২:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাজেটে ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এই কর্মসূচির কে কোথায় কীভাবে টাকা খরচ করছে, তা ছয় মাস পর পর্যালোচনা করা হবে। আর প্রতি চার বছর পর পর তালিকা হালনাগাদ করা হবে, যেখানে সচ্ছল ব্যক্তিদের বাদ দেওয়া হবে।

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভা শেষে কথা তিনি এসব কথা বলেন। ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই নীতির ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের এতো বড় কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। এখানে কোনো দলীয় লোকজন যুক্ত থাকবেন না। প্রথমবারের মতো সরকারের কোনো সামাজিক কর্মসূচিতে দলীয় লোকজন থাকছেন না। এ কর্মসূচি নিয়ে শুধু সরকারি কর্মকর্তারাই কাজ করবেন। একইসঙ্গে ধাপে ধাপে প্রতিটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

তিনি আরও বলেন, সোনালী ব্যাংকের ‘টাকা পে’ অ্যাপ ব্যবহার করে এই অর্থ বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে মোট ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার এই কার্ডের আওতায় আসবে। বরাদ্দকৃত অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং স্থিতিশীলতা থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে নিয়ে যাওয়াই এবারের বাজেটের চ্যালেঞ্জ। এবারের বাজেটের সুফল যাতে সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে, সে লক্ষ্যেই এগিয়ে যাওয়া হবে। তা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার।

অন্যদিকে, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। চট্টগ্রামে ছয়টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা গেছে, এর মধ্যে পাঁচটি পরিবারই রোহিঙ্গা। তবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) চাওয়ার পর তারা আর ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিতে আসছেন না।

তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো পরিবারের নারীদের নামে সিম না থাকায় টাকা প্রদান করতে সমস্যা হয়েছে। এ কারণে বাজেটে বিনা মূল্যে সিম দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।