সবুজদিন রিপোর্ট।।
রাজধানীর বড় একটি অংশে গ্যাস সংকট চলছে। এর প্রভাব এবার পড়েছে আসাদগেটসংলগ্ন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাসাতেও। তিন থেকে চার দিন ধরে গ্যাসের স্বল্প চাপের কারণে তার বাসায় রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দিনের বেলায় গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে, ভাত রান্না করতেই তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ করা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমিনবাজার এলাকায় স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৬৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও কয়েক দিন ধরে তা কমে প্রায় ৪০ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে। ফলে আমিনবাজার থেকে লালমাটিয়া পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে।
এদিকে রাজধানীর পল্লবী, লালমাটিয়া, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, আদাবর এবং মোহাম্মদপুর এলাকায় গ্যাসের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। লালমাটিয়ার অনেক এলাকায় ৮-৯ ধরে রান্নার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। অবস্থা এমন হয়েছে অনেকে একবেলা রান্না করেও খেতে পারছে না। বিশেষ করে লালমাটিয়া বি এবং সি ব্লকের অবস্থা ভয়াবহ।
ওই এলাকার একজন বাসিন্দা নুরুল নাহার যুগান্তরকে বলেন, ৮-৯ দিন ধরে গ্যাস নেই। সকালে চিড়া ভিজিয়ে নাস্তা করতে হয়। বাসায় একা থাকার কারণে রান্নার কষ্ট বেশ। হোটেল থেকে কিনে খাবার মতো পরিবেশও নেই।
আদাবরের বাসিন্দা জাহিদ জানান, গ্যাসের সংকট চলছে। মাস শেষে তিতাস নিয়মিত বিল নিলেও গ্যাস দিচ্ছে না। দিনের বেশির ভাগ সময় গ্যাস থাকে না। রাতে যে গ্যাস আসে তা দিয়ে রান্না করা যায় না। মোহাম্মদপুর থেকে মাসুক এলাহী জানান, ৩-৪ দিন ধরে গ্যাস সংকটে পুরো জীবনযাত্রা এলামেলো হয়ে গেছে। সন্তানরা নাস্তা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না। দুপুর এবং রাতের খাবারও রান্না করা যাচ্ছে না। তিতাসের মহাপরিচালক (অপারেশন) সাইদুর রহমান জানান, পেট্রোবাংলা হঠাৎ করে গ্যাস সরবরাহ কমিয়েছে। তাই অনেক এলাকায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়তে পারে। তখন পরিস্থিতি ভালো হতে পারে।
Reporter Name 






















