১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ১২৯ Time View

অনলাইন ডেস্ক||

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস। আজ শুক্রবার সবশেষ নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী সারাদেশে মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত জানায়।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার মূল্য হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষিতেই এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী দেশে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বর্তমানে ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকা। এর আগে সবশেষ গত ১১ মার্চ স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল যখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা।

মাত্র দুদিনের ব্যবধানে বড় ধরনের এই দরপতন স্বর্ণের বাজারে নতুন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।স্বর্ণের পাশাপাশি বাজুস এবার রুপার দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে। ভরিপ্রতি ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। এ নিয়ে চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ২৬ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে যার মধ্যে দাম কমানো হয়েছে ১০ বার।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম মোট ৪১ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হলেও ১৫ বার দাম কমানোর ঘটনা ঘটেছে। গত ২০২৫ সালের তুলনায় এ বছর স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা কিছুটা কম থাকলেও বৈশ্বিক ও স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত দাম পরিবর্তন করতে হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে সরবরাহের ওপর ভিত্তি করেই এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ার ফলে সাধারণ ক্রেতা ও অলংকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম

Update Time : ০১:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক||

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস। আজ শুক্রবার সবশেষ নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী সারাদেশে মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত জানায়।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার মূল্য হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষিতেই এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী দেশে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বর্তমানে ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকা। এর আগে সবশেষ গত ১১ মার্চ স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল যখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা।

মাত্র দুদিনের ব্যবধানে বড় ধরনের এই দরপতন স্বর্ণের বাজারে নতুন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।স্বর্ণের পাশাপাশি বাজুস এবার রুপার দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে। ভরিপ্রতি ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। এ নিয়ে চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ২৬ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে যার মধ্যে দাম কমানো হয়েছে ১০ বার।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম মোট ৪১ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হলেও ১৫ বার দাম কমানোর ঘটনা ঘটেছে। গত ২০২৫ সালের তুলনায় এ বছর স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা কিছুটা কম থাকলেও বৈশ্বিক ও স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত দাম পরিবর্তন করতে হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে সরবরাহের ওপর ভিত্তি করেই এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ার ফলে সাধারণ ক্রেতা ও অলংকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।