০৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলায় মাহে আলম হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৯ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

মোংলায় বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী মাহে আলম হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্বজন ও সচেতন নাগরিকরা।
আজ শুক্রবার সকালে মোংলা পোর্ট পৌরসভা চত্বরে আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের প্রভাবে এই হত্যাকাণ্ডটি দীর্ঘদিন ধরে ধামাচাপা পড়ে আছে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক, মোংলার সাধারণ সম্পাদক মো. নূর আলম শেখ। এতে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, মাহে আলমের ছোট ভাই মো. জসিম উদ্দিন, সাবেক পৌর কাউন্সিলর খোরশেদ আলম, বিএনপি নেতা শাহাজান ফকির, বাবুল হোসেন রনি, মো. নাসির তালুকদার, গোলাম নূর জনি, বাবলু ভূইয়া, শ্রমিক নেতা আব্দুস সালাম ব্যাপারী এবং নিহতের ছেলে সুমন রানা।
বক্তারা জানান, ২০২৩ সালের ১০ এপ্রিল মোংলার পৌর মৎস্যজীবী দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহে আলমকে অপহরণের পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে তার লাশ গুম করা হয়। পরে ১৩ এপ্রিল সুন্দরবনের করমজল এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করা হলেও ভুয়া সুরতহাল ও পোস্টমর্টেম রিপোর্টের মাধ্যমে লাশের পরিচয় গোপন করা হয় এবং সেটিকে অন্য এক ব্যক্তির নামে দাফন করা হয়।
তাদের অভিযোগ, সে সময় থানায় মামলা না নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া হয়। বর্তমানে আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।
নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী সুমন রানা অভিযোগ করেন, তার বাবাকে অপহরণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। তিনি বিশেষভাবে বনদস্যু বিল্লাল সর্দার ও তার ভাইপো বেলায়েত সর্দারের নাম উল্লেখ করে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। সভাপতির বক্তব্যে মো. নূর আলম শেখ বলেন, প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, ঘটনার কয়েক মাস পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মাহে আলমের লাশ শনাক্ত করা হয় এবং পরবর্তীতে তা উত্তোলন করে ইসলামী রীতি অনুযায়ী পুনরায় দাফন করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে মিড-ডে মিল পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের: মাহদী আমিন

মোংলায় মাহে আলম হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

Update Time : ০১:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

মোংলায় বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী মাহে আলম হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্বজন ও সচেতন নাগরিকরা।
আজ শুক্রবার সকালে মোংলা পোর্ট পৌরসভা চত্বরে আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের প্রভাবে এই হত্যাকাণ্ডটি দীর্ঘদিন ধরে ধামাচাপা পড়ে আছে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক, মোংলার সাধারণ সম্পাদক মো. নূর আলম শেখ। এতে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, মাহে আলমের ছোট ভাই মো. জসিম উদ্দিন, সাবেক পৌর কাউন্সিলর খোরশেদ আলম, বিএনপি নেতা শাহাজান ফকির, বাবুল হোসেন রনি, মো. নাসির তালুকদার, গোলাম নূর জনি, বাবলু ভূইয়া, শ্রমিক নেতা আব্দুস সালাম ব্যাপারী এবং নিহতের ছেলে সুমন রানা।
বক্তারা জানান, ২০২৩ সালের ১০ এপ্রিল মোংলার পৌর মৎস্যজীবী দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহে আলমকে অপহরণের পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে তার লাশ গুম করা হয়। পরে ১৩ এপ্রিল সুন্দরবনের করমজল এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করা হলেও ভুয়া সুরতহাল ও পোস্টমর্টেম রিপোর্টের মাধ্যমে লাশের পরিচয় গোপন করা হয় এবং সেটিকে অন্য এক ব্যক্তির নামে দাফন করা হয়।
তাদের অভিযোগ, সে সময় থানায় মামলা না নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া হয়। বর্তমানে আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।
নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী সুমন রানা অভিযোগ করেন, তার বাবাকে অপহরণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। তিনি বিশেষভাবে বনদস্যু বিল্লাল সর্দার ও তার ভাইপো বেলায়েত সর্দারের নাম উল্লেখ করে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। সভাপতির বক্তব্যে মো. নূর আলম শেখ বলেন, প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, ঘটনার কয়েক মাস পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মাহে আলমের লাশ শনাক্ত করা হয় এবং পরবর্তীতে তা উত্তোলন করে ইসলামী রীতি অনুযায়ী পুনরায় দাফন করা হয়।