স্পোর্টস ডেস্ক
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ইনিংসের মাঝপথেই চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তাতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার আগেই সব উইকেট হারিয়ে ১৩১ রানে থামে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ১৩তম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ব্যাট হাতে শুরুটা মন্দ হয়নি টাইগারদের। তবে তানজিদ তামিমের ক্যাচ অনুশীলনে ২৬ রানের মাথায় ভাঙে ওপেনিং জুটি। ৯ বলে ১০ রান করে বিদায় নেন এই ওপেনার।
সঙ্গীর বিদায়ের দুই ওভার পরেই প্যাভিলিয়নে ফিরেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ব্যর্থ এই ডানহাতি ব্যাটার। রেনশোর বলে তিনিও মিডঅফে সহজ ক্যাচ দেন। আউট হওয়ার আগে ১৪ বলে করেছেন ২০ রান।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর মাঠে নামেন নতুন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ছক্কা হাঁকিয়ে নেতৃত্বের যাত্রা শুরু করেছিলেন এই ব্যাটার। কিন্তু অ্যাডাম জাম্পার গুগলিতে ৮ রানে বোল্ড হয়ে ফিরেন তিনি। হৃদয়ের পর সৌম্যকেও আউট করেন জাম্পা। ১৮ বলে ১৭ রান করেছেন দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা এই ব্যাটার।
পাঁচে নামা ইমনও বেশি দূর যেতে পারেননি। আর এতেই ৭৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ১০০ এর আগে ইনিংস শেষের শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। আশঙ্কার মেঘটা আরও ঘনীভূত করেন শামীম পাটোয়ারী। তার বাজে শটে ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারায় টাইগাররা।
এরপর এক ছক্কাতেই থেমে যায় অভিষিক্ত সাকলাইনের প্রথম ইনিংস। ১০ বলে ১০ রান করে বিদায় নেন এই অলরাউন্ডার। সাকলাইনের বিদায়ের পরে ৩ রান করে ডাগ আউটে ফেরেন রিশাদও। তাতে ১০০ রানের আগেই ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
একপ্রান্তে নিয়মিত উইকেটের পতনের মাঝেও মেহেদী হাসানের ২২ বলে ২৯ রানে লড়াই করার পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
Reporter Name 





















