স্পোর্টস ডেস্ক
নাটকীয়তায় ঠাসা মিশর-আর্জেন্টিনা ম্যাচের বিতর্ক থামছেই না। গোল বাতিল, পেনাল্টি না দেওয়া এবং ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ আসার পর নতুন এক ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বাকযুদ্ধে জড়িয়েছিলেন লিওনেল মেসি।
ম্যাচের ফল তখন নির্ধারণ হয়ে গেছে। মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হোসেন বহুল আলোচিত ‘ক্রস’ দেখিয়ে ক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। ঠিক ওই সময় মেসি মিশরের ডাগআউটের সামনে এসে কিছু বলার চেষ্টা করেন। এতে পড়েন ক্ষোভের মুখে।
ম্যাচের শেষ দিকে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিটে প্রকাশিত নতুন ভিডিওতে দেখা যায়, মেসি মিশরের বেঞ্চের দিকে কিছু বলার পর সতীর্থ লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও লিয়ান্দ্রো পারেদেস তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
এ সময় মিশরের গোলকিপিং কোচ সাফান এল-সাঘির মেসির সঙ্গে তর্ক চালিয়ে যান। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি মাঠে নেমে মেসির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, চিৎকার করছেন এবং তার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মিশরের কোচিং স্টাফের অন্য সদস্য ও বেঞ্চে থাকা কয়েকজন খেলোয়াড় তাকে ধরে মাঠের বাইরে নিয়ে যান। এরপর ম্যাচের রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে তার আচরণের জন্য তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসানও ম্যাচের শেষ দিকে আচরণের কারণে হলুদ কার্ড দেখেন। রেফারির সঙ্গে তর্কের সময় তাকে দুই হাত ক্রস করে ‘ক্রস’ আকৃতির একটি ইশারা করতে দেখা যায়।
সাধারণভাবে এই ইশারা বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ জানাতে ব্যবহৃত হলেও, এই ঘটনায় হাসান সেই অর্থে এটি করেছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। হাসানের এই ইশারার পর মিশরের এক বদলি খেলোয়াড় এবং তার ভাই ও সহকারী কোচ ইব্রাহিম হাসান এগিয়ে এসে তার হাত নিচে নামিয়ে দেন।
তবে নতুন এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর উত্তেজনা ও বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।
Reporter Name 

























