পুঠিয়া (রাজশাহী) থেকে জাহাঙ্গীর আলম।
পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকের বিস্তার সাধারণ ভদ্র ও জ্ঞানী সুশীল সমাজের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সকল প্রকার মাদককে না বলি এ স্লোগান থাকলেও মাদকের বিস্তার প্রতিরোধে তেমন কোন কার্যকরী পদক্ষেপ না থাকায় এর বিস্তার লোক সমাজে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজশাহী মহানগরীতে চলতি সপ্তাহে মাদকবিরোধী পৃথক দুটি অভিযানে প্রায় ১৫ কেজি গাঁজা এবং ২ হাজার ৫৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
মাদক ব্যবসায়ীর সকল প্রকার নিয়ম-নীতি আইন-কানুন উপেক্ষা করে পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদক রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে গাঁজা ও বাংলা মদ ( চুয়ানী)। পূর্ব থেকেই এ সকল ব্যবসায়ীদের অনেকেরই চেনা জানা।। প্রতিদিন অসংখ্য গাঁজা ৷ও নেশাজাত দ্রব্য পান কারীদের যাতায়াত গাঁজা ব্যবসায়ীদের বাড়িতে নজরে পড়ে। এলাকাবাসী সম্পূর্ণরূপে অবগত থাকলেও গাঁজা বা চুয়ানী ব্যবসায়ীদের অতি দৌরাত্মের কারণে ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারেন না। সাধারণ সুশীল সমাজ এর প্রতিবাদ করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারেন না। তাই সমাজে এই ‘হীন কর্মকান্ড ব্যবসা অব্যাহত রয়েছে। সে কারণে যুবক ও বয়স্কদের মধ্যে মাদক সেবিদের সংখ্যা সীমাবদ্ধ নয়। এ নেশাতে নতুন উঠতি বযসের তরুণরা জড়িয়ে পড়ছে। তরুণরা নেশাতে আকৃষ্ট হওয়ার ফলে সমাজে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি মাস্তানি সহ অন্যান্য আরো বড় বড় এবং জটিল অপরাধ এর সৃষ্টি হচ্ছে বলে সমাজের জ্ঞানী ব্যক্তিরা মনে করেন। প্রকাশ্য দিনের বেলা গাঁজাসহ অন্যান্য নেশা জাত দ্রব্য পান কারী ব্যক্তির বাড়িতে, ফাঁকা মাঠে , বাগান ও পরিত্যক্ত বাড়িতে বসে তারা নেশা পান করে। রাতের আধারে লোক সমাজের একটু আড়ালে বসে পান করে। তা স্পষ্টভাবে অনুমান করা যায়। ভদ্র ও সুশীল সমাজ এদের অভদ্র চালচলন সহজেই নজরে পড়েছে। পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারে চা স্টলে প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি এবং সেবন কারীদের নজরে পড়ে। সে সকল চায়ের স্টলে বিদ্যুতের আলো নাই। সব সময় অন্ধকারে চা স্টলের নামে সেখানে গাজা সেবন করতে দেখা যায়। ঘটনা স্থলে স্থানীয় লোকের সহযোগিতায় সরাসরি পর্যবেক্ষণ করে . নিশ্চিত হওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন গাঁজা ব্যবসায়ী এবং সেবনকারীদের ভয়ে তাদের নাম এবং পরিচয় প্রকাশ . করতে অনিচ্ছুক। তাছাড়া বিভিন্ন আদিবাসী পাড়াতে বাংলা মদ বা চুয়ানী তৈরি হয় এবং তা প্রতিদিন অনেকেই দূর দূরান্ত থেকে ভ্যান গাড়ি . অটো গাড়ি এবং মোটরসাইকেলে করে এসে ক্রয় করে নিয়ে যায়। সাঁওতাল আদিবাসীরা চিরাচরিত প্রথা হিসেবে বাড়িতে বাড়িতে মদ তৈরি এবং পান করে থাকে। এখন অন্যান্য সম্প্রদায়ের ব্যাক্তিরা এটাকে গ্রহণ করছে যা লোকসমাজে অত্যন্ত হীন কর এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সমাজের ভদ্র ও জ্ঞানী ব্যক্তিরা মনে করেন জরুরী মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে যথাযথ প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা অতিব জরুরী। তা না হলে সুশীল সমাজ গঠনে বিঘ্ন সৃষ্টি হতেই থাকবে।।।
Reporter Name 




















