সবুজদিন রিপোর্ট।।
খুন, গুম, নির্যাতন, বিরোধী মত দমন থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার—এসব কিছুরই পাওয়ার হাউস ছিল লাল দেয়ালের গণভবন। তাই গণমানুষের হতে না পারা গণভবনের প্রতি মানুষের ক্ষোভের পরিধি ছিল ৫৬,০০০ বর্গমাইল। সেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ৫ আগস্ট। ছাত্র-জনতা দখলে নেয় স্বৈরশাসকের বাসভবন।
সেসব স্মৃতিচিহ্ন, এই বিপ্লবের দুর্লভ সব দলিল, শহীদ ও আহতদের নানা স্মারক, পোশাক, আন্দোলনের ব্যানার, প্ল্যাকার্ডসহ অন্যান্য সরঞ্জাম সংরক্ষণে উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। সিদ্ধান্ত হয়, গণভবন হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর। কিন্তু বারবারই দিনক্ষণ দিয়েও এটি চালু করতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার।
অবশেষে সরে গেছে অনিশ্চয়তার মেঘ। আগামী ৫ আগস্ট জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনের বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, আগামী ৫ আগস্ট জুলাই জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এটির শুভ উদ্বোধন করবেন।
এবার দিনটি ‘স্বৈরাচার পতন দিবস’ হিসেবে সরকারিভাবে উদযাপিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার পতন দিবস’ হিসেবে এটি সরকারের পক্ষ থেকে একটি সরকারি দিবস হিসেবে উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে আমাদের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ওই দিন চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
ক্রোধের আগুনে লাল আকাশ, হাতে লাশ—কত বন্ধু চলে গেছে, রেখে গেছে হৃদয়পোড়া ছাই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার পুঞ্জীভূত ক্ষোভের যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, সেসব স্মৃতি এখনও দগদগে। আর বুকের ভেতরের সেসব স্মৃতি সংরক্ষণে প্রস্তুত এই আঙিনা। এখন কেবল অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের।
Reporter Name 


















