সবুজদিন রিপোর্ট।।
বিএনপি নিজেদের নির্বাচিন ইশতেহারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৬ মে) রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আপনাদের সংস্কার কর্মসূচির প্রথম দফার সঙ্গে আপনারাই গাদ্দারি করছেন। এই দফায় লেখা আছে, এ দেশকে মেহনত করতে হলে সংবিধানের সংস্কার করা লাগবে। আজকে আপনারা বলছেন, সংবিধানে সংস্কার কি তা বুঝেন না। তাহলে আপনারা শিশুর মতো না বুঝে প্রথম দফায় লিখেছিলেন সংস্কারের কথা?
তিনি বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে লিখেছিলেন, দেশের কোথাও অনির্বাচিত প্রতিনিধি থাকবে না। সরকার গঠন হওয়ার পর ৪২টা জেলায় ইতোমধ্যে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসক কি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি? আপনারাতো আপনাদের নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন।
জামায়াত আমির বলেন, আপনারা বলেছিলেন, আপনারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবেন। এ বিষয়ে যে অর্ডিনেন্স ছিল, আপনারা এখন বলছেন এটা করবেন না। তার মানে আপনাদের আকাম-কুকাম সামনে এলে বিচার বিভাগকে অতীতের ফ্যাসিবাদী কায়দায় আপনারা জনগণের বিরুদ্ধে কাজে লাগাতে চান।
তিনি বলেন, আমরা চেয়েছিলাম গুম নির্মূল করার জন্য একটা স্বাধীন গুম কমিশন গঠন হোক। আপনারা তার বিরোধিতা করছেন। আপনারা একটা স্বাধীন পিএসসি চান না। যেই পথ ধরে স্বৈরাচার চলেছিল একই পথে আপনারাও হাঁটছেন। আপনারা যদি এই পথ থেকে ফিরে না আসেন, তবে স্বৈরাচারের যে পরিণতি হয়েছিল, আপনাদেরও পরিণতি তাই হবে।
জামায়াত আমির বলেন, সংসদের মেয়াদ মাত্র আড়াই মাস। আমরা চাই আপনারা আপনাদের ভুলকে সংশোধন করুন। মনে রাখবেন আমাদের এই উদারতা যেন কোনো দুর্বলতা হিসেবে আপনাদের কাছে ধরা না দেয়। ভালো কাজ করবেন আমরা পানির মতো তরল। মন্দ কাজ করবেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থা নেবেন- আমরা ইস্পাতের চেয়ে কঠিন হয়ে দাঁড়াবো। দেশ এবং জনগণের কোনো ক্ষতি আমরা মেনে নেবো না।
তিনি বলেন, আপনাদের নেতা বলেছিলেন, দুর্নীতিকে টুঁটি চেপে ধরবেন। আপনারা পরে এসে বললেন যদি সমতার ভিত্তিতে কিছু নেওয়া হয় তবে এটা চাঁদা হবে না। ধিক্কার জানায়। এখন মানুষ আপনাদের চাঁদাবাজি দল বলে। একজন চাঁদাবাজকে আপনারা জবাবদিহিতার আওতায় আনেননি। মানুষ বিশ্বস করতে বাধ্য হবে এদের আপাদ-মস্তক চাঁদাবাজ। সবজায়গায় চাঁদাবাজির মহোৎসব চলছে। সব জায়গায় দখলবাজি চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে একটা দলকানা লোককে বসিয়ে দিলেন।
Reporter Name 























