০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে লিটনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ৬ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক

দ্রুত ইউকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তবে দলের বিপদে হাল ধরেন লিটন দাস। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার এক প্রান্ত আগলে রেখে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি করলেন তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে করলেন তৃতীয় সেঞ্চুরি।

উইকেটে যখন এসেছেন তখন বাংলাদেশের রান ছিল ৪ উইকেটে ১০৬। এরপর দ্রুতই ফেরেন মুশফিক ও মিরাজ। বাকি কাজটা লিটন করেছেন লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের নিয়েই। কখনো লিটনকে সঙ্গ দিয়েছেন তাইজুল, কখনো তাসকিন, কখনো শরীফুল।

প্রথম ইনিংসে ৭০.২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান। ১১১ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন লিটন। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন শরিফুল ইসলাম।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শনিবার টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। আব্বাসের বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ হয়েছেন তিনি, খুলতে পারেননি রানের খাতা।

তানজিদ হাসান তামিম অভিষেক টেস্টে শুরুটা ভালোই করেছিলেন। এগিয়ে যাচ্ছিলেন বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। কিন্তু ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে টপ এজ হয়েছেন তিনি। আব্বাস নিজেই ক্যাচ নেন।

৩৪ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৬ রান আসে তানজিদের ব্যাট থেকে। দলীয় ৪৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

সেট হয়ে গিয়েছিলেন আগের টেস্টে জোড়া হাফসেঞ্চুরি করা মুমিনুল হক। তবে খুররম শেহজাদের দারুণ এক ডেলিভারিতে লাইন মিস করেন তিনি, বল লেগে উড়ে যায় স্টাম্পের বেল। ৪১ বলে ৩ চারের সাহায্যে ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল। ৬৩ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের।

৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর দ্রুত সাজঘরে ফিরেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম আর মেহেদী হাসান মিরাজ।

মোহাম্মদ আব্বাসের দুর্দান্ত সুইংয়ে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসবন্দী হয়েছেন শান্ত (২৯)। আরেক সেট ব্যাটার মুশফিককে (২৩) এলবিডব্লিউ করেন খুররম শেহজাদ। খুররমের তৃতীয় শিকার হন মিরাজ। মাত্র ৪ রান করে ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

১১৬ রান তুলতে ৬ উইকেট হারিয়ে বসেছিল স্বাগতিকরা। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন লিটন দাস। লোয়ার অর্ডারের তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ১১৪ বলে গড়েন ৬০ রানের জুটি। তাইজুলকে (১৬) বোল্ড করে জুটি ভাঙেন পাকিস্তানি অফস্পিনার সাজিদ খান। ১৭৬ রানে সপ্তম উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে লিটনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

Update Time : ০৪:৩৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক

দ্রুত ইউকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তবে দলের বিপদে হাল ধরেন লিটন দাস। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার এক প্রান্ত আগলে রেখে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি করলেন তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে করলেন তৃতীয় সেঞ্চুরি।

উইকেটে যখন এসেছেন তখন বাংলাদেশের রান ছিল ৪ উইকেটে ১০৬। এরপর দ্রুতই ফেরেন মুশফিক ও মিরাজ। বাকি কাজটা লিটন করেছেন লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের নিয়েই। কখনো লিটনকে সঙ্গ দিয়েছেন তাইজুল, কখনো তাসকিন, কখনো শরীফুল।

প্রথম ইনিংসে ৭০.২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান। ১১১ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন লিটন। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন শরিফুল ইসলাম।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শনিবার টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। আব্বাসের বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ হয়েছেন তিনি, খুলতে পারেননি রানের খাতা।

তানজিদ হাসান তামিম অভিষেক টেস্টে শুরুটা ভালোই করেছিলেন। এগিয়ে যাচ্ছিলেন বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। কিন্তু ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে টপ এজ হয়েছেন তিনি। আব্বাস নিজেই ক্যাচ নেন।

৩৪ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৬ রান আসে তানজিদের ব্যাট থেকে। দলীয় ৪৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

সেট হয়ে গিয়েছিলেন আগের টেস্টে জোড়া হাফসেঞ্চুরি করা মুমিনুল হক। তবে খুররম শেহজাদের দারুণ এক ডেলিভারিতে লাইন মিস করেন তিনি, বল লেগে উড়ে যায় স্টাম্পের বেল। ৪১ বলে ৩ চারের সাহায্যে ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল। ৬৩ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের।

৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর দ্রুত সাজঘরে ফিরেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম আর মেহেদী হাসান মিরাজ।

মোহাম্মদ আব্বাসের দুর্দান্ত সুইংয়ে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসবন্দী হয়েছেন শান্ত (২৯)। আরেক সেট ব্যাটার মুশফিককে (২৩) এলবিডব্লিউ করেন খুররম শেহজাদ। খুররমের তৃতীয় শিকার হন মিরাজ। মাত্র ৪ রান করে ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

১১৬ রান তুলতে ৬ উইকেট হারিয়ে বসেছিল স্বাগতিকরা। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন লিটন দাস। লোয়ার অর্ডারের তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ১১৪ বলে গড়েন ৬০ রানের জুটি। তাইজুলকে (১৬) বোল্ড করে জুটি ভাঙেন পাকিস্তানি অফস্পিনার সাজিদ খান। ১৭৬ রানে সপ্তম উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের।