০৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঙালি পরিচয়ে সীমান্তের ওপারের কারও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই: তথ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ৮ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ভাষার মিল থাকলেও সাংস্কৃতিক মনোজগতে পার্থক্য আছে। সেটি অস্বীকারের উপায় নেই। বাঙালি পরিচয়ের জন্য সীমান্তের ওপারের কারও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ‘জুলাই সনদের বাস্তবায়ন’ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিহাসই বাঙালির পরিচয়ের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি। আর ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা শেষ পর্যন্ত টেকে না। ইতিহাস যেখানে সঠিক কথা বলে, বিকৃতকারীরা সেখানে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এখন পরিচ্ছন্ন ম্যান্ডেটের ওপর কাজ করছে। কেউ কৃত্রিম বয়ান তৈরি করতে চাইলে তাতে মান-অভিমান বা আক্রোশ পোষণ করি না। তবে আমরা সঠিক ইতিহাসকেই বয়ান হিসেবে রাখতে চাই।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের জনসংখ্যা আর বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে এক করার কথা যারা বলেন, তাদের বলতে চাই, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মোট জনগোষ্ঠী ২২০ কোটির বেশি। যারা সার্কের ঐক্য চায় না, তারা শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বললে আমরা সন্দেহের চোখে দেখবো। জাতিসংঘ, সার্ক ও বাংলাদেশের বাইরে অন্য কোনো কাঠামোর কথা বললে আমরা তা সন্দেহের চোখে দেখবো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষাক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট তারেক রহমান সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী

বাঙালি পরিচয়ে সীমান্তের ওপারের কারও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই: তথ্যমন্ত্রী

Update Time : ০৩:০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ভাষার মিল থাকলেও সাংস্কৃতিক মনোজগতে পার্থক্য আছে। সেটি অস্বীকারের উপায় নেই। বাঙালি পরিচয়ের জন্য সীমান্তের ওপারের কারও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ‘জুলাই সনদের বাস্তবায়ন’ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিহাসই বাঙালির পরিচয়ের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি। আর ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা শেষ পর্যন্ত টেকে না। ইতিহাস যেখানে সঠিক কথা বলে, বিকৃতকারীরা সেখানে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এখন পরিচ্ছন্ন ম্যান্ডেটের ওপর কাজ করছে। কেউ কৃত্রিম বয়ান তৈরি করতে চাইলে তাতে মান-অভিমান বা আক্রোশ পোষণ করি না। তবে আমরা সঠিক ইতিহাসকেই বয়ান হিসেবে রাখতে চাই।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের জনসংখ্যা আর বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে এক করার কথা যারা বলেন, তাদের বলতে চাই, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মোট জনগোষ্ঠী ২২০ কোটির বেশি। যারা সার্কের ঐক্য চায় না, তারা শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বললে আমরা সন্দেহের চোখে দেখবো। জাতিসংঘ, সার্ক ও বাংলাদেশের বাইরে অন্য কোনো কাঠামোর কথা বললে আমরা তা সন্দেহের চোখে দেখবো।