০১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থবছর জানুয়ারি-ডিসেম্বর এবং প্রতি ৪ মাস পর বাজেট পর্যালোচনার প্রস্তাব জামায়াত আমিরের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ৯ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অর্থবছর জুলাই থেকে জুন হবার সুবাদে শুধু বিলের হিসাবে কাজ শেষ হয়। ক্যালেন্ডার ইয়ারের হিসাবে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রাখা উচিত।

এছাড়া অর্থবছর শেষ হবার অন্তত ৩ মাস আগে সম্পূরক বাজেট আসা এবং ৪ মাস পর পর সংসদে বাজেটের পর্যালোচনা হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

অল্প সময়ে বাজেট দেওয়া অর্থমন্ত্রীর জন্য কঠিন ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রী ও তার টিম সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। বাজেটের প্রস্তাবে অনেক সংশোধনের দাবি ছিল। কিছু গ্রহণ হলে দেশের গণতন্ত্র চর্চায় নতুন অধ্যায় যোগ হতো।

পাচার অর্থের নয়, ভাগের এক ভাগ অর্থ ফেরত আসলে বাজেটে ঘাটতি থাকবে না জানান তিনি।

রাজস্ব নিয়ে ব্যবসায়ীদের আস্থায় আনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিপদে সরকার তাদের পাশে দাঁড়ালে দেশের প্রয়োজনে বেশি কর দেবেন। খুব অল্প সংখ্যক ব্যবসায়ী অসৎ, অনেক ব্যবসায়ীকে অসৎ হতে বাধ্য করা হয়।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রিসার্চ বেসড হতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি রিসার্চ বেসড না হয়, তাহলে চিরজীবনই আমরা একটা আমদানি নির্ভর জাতি হিসেবে থেকে যাবো। যে সব ক্যাপিটাল মেশিনারী, লজিস্টিক এবং আমাদের প্রয়োজনীয় পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকি, তাকে আমদানিই করতে থাকবো আর শুধু খুঁজতে থাকবো যে, কোন দেশ থেকে ভালো আমদানি করা যাবে।

এছাড়া, সব মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করেন বিরোধী দলের নেতা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের উদ্বেগ সত্ত্বেও তিস্তা প্রকল্পে ঢাকাকে সমর্থন চীনের

অর্থবছর জানুয়ারি-ডিসেম্বর এবং প্রতি ৪ মাস পর বাজেট পর্যালোচনার প্রস্তাব জামায়াত আমিরের

Update Time : ০২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অর্থবছর জুলাই থেকে জুন হবার সুবাদে শুধু বিলের হিসাবে কাজ শেষ হয়। ক্যালেন্ডার ইয়ারের হিসাবে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রাখা উচিত।

এছাড়া অর্থবছর শেষ হবার অন্তত ৩ মাস আগে সম্পূরক বাজেট আসা এবং ৪ মাস পর পর সংসদে বাজেটের পর্যালোচনা হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

অল্প সময়ে বাজেট দেওয়া অর্থমন্ত্রীর জন্য কঠিন ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রী ও তার টিম সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। বাজেটের প্রস্তাবে অনেক সংশোধনের দাবি ছিল। কিছু গ্রহণ হলে দেশের গণতন্ত্র চর্চায় নতুন অধ্যায় যোগ হতো।

পাচার অর্থের নয়, ভাগের এক ভাগ অর্থ ফেরত আসলে বাজেটে ঘাটতি থাকবে না জানান তিনি।

রাজস্ব নিয়ে ব্যবসায়ীদের আস্থায় আনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিপদে সরকার তাদের পাশে দাঁড়ালে দেশের প্রয়োজনে বেশি কর দেবেন। খুব অল্প সংখ্যক ব্যবসায়ী অসৎ, অনেক ব্যবসায়ীকে অসৎ হতে বাধ্য করা হয়।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রিসার্চ বেসড হতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি রিসার্চ বেসড না হয়, তাহলে চিরজীবনই আমরা একটা আমদানি নির্ভর জাতি হিসেবে থেকে যাবো। যে সব ক্যাপিটাল মেশিনারী, লজিস্টিক এবং আমাদের প্রয়োজনীয় পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকি, তাকে আমদানিই করতে থাকবো আর শুধু খুঁজতে থাকবো যে, কোন দেশ থেকে ভালো আমদানি করা যাবে।

এছাড়া, সব মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করেন বিরোধী দলের নেতা।