০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হয়েছে : ট্রাম্প

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • ৮৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই জয়ী। হোয়াইট হাউসে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নতুন সেক্রেটারি মার্কওয়েন ম্যুলিনের শপথ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, তেহরান এখন শান্তি চুক্তির জন্য ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র সঠিক ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে।
শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, “যুদ্ধে আমরা জয়ী হয়েছি।” তবে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ শেষের তারিখ বা প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি আরও জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় তার প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যুক্ত রয়েছেন। এর মধ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রয়েছেন। এছাড়া, জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।
এছাড়া ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও বর্তমানে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরান এখন একটি চুক্তি করতে চায়… আপনি তাদের জায়গায় থাকলেও এটাই চাইতেন।
আলোচনার অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি আলোচকরা যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ‘অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পুরস্কার’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি তেল, গ্যাস এবং হরমুজ প্রণালির সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এই উপহার বা পুরস্কারটি আসলে কী, সে সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
ট্রাম্পের মতে, এমন প্রস্তাবই প্রমাণ করে যে ওয়াশিংটন সঠিক লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছে।
তেহরানে সাম্প্রতিক হামলার প্রভাবে দেশটিতে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ এসেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান কোনোদিন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না-এমন শর্তে তারা রাজি হয়েছে।

ইরানের বর্তমান সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা এখন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছে না, এটাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা।’
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘চমৎকার’ এবং কাতারকে ‘দুর্দান্ত’ রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হয়েছে : ট্রাম্প

Update Time : ০১:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই জয়ী। হোয়াইট হাউসে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নতুন সেক্রেটারি মার্কওয়েন ম্যুলিনের শপথ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, তেহরান এখন শান্তি চুক্তির জন্য ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র সঠিক ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে।
শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, “যুদ্ধে আমরা জয়ী হয়েছি।” তবে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ শেষের তারিখ বা প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি আরও জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় তার প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যুক্ত রয়েছেন। এর মধ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রয়েছেন। এছাড়া, জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।
এছাড়া ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও বর্তমানে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরান এখন একটি চুক্তি করতে চায়… আপনি তাদের জায়গায় থাকলেও এটাই চাইতেন।
আলোচনার অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি আলোচকরা যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ‘অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পুরস্কার’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি তেল, গ্যাস এবং হরমুজ প্রণালির সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এই উপহার বা পুরস্কারটি আসলে কী, সে সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
ট্রাম্পের মতে, এমন প্রস্তাবই প্রমাণ করে যে ওয়াশিংটন সঠিক লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছে।
তেহরানে সাম্প্রতিক হামলার প্রভাবে দেশটিতে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ এসেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান কোনোদিন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না-এমন শর্তে তারা রাজি হয়েছে।

ইরানের বর্তমান সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা এখন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছে না, এটাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা।’
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘চমৎকার’ এবং কাতারকে ‘দুর্দান্ত’ রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন।