০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাইমা রহমানের চেলসিতে সুযোগ পাওয়া নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রতিমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ৯২ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব চেলসির নারী দলের গোলকিপার হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের এ মন্তব্য ক্রীড়াঙ্গনে আলোচিত হচ্ছে। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।
গতকাল রোববার মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে অ্যাডমিনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ অবস্থান তুলে ধরা হয়।
এতে লেখা রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল প্যাশন এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি প্রকৃত ঘটনা সংবাদমাধ্যমকে জানান।
আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন ফুটবল খেলতেন। সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার সুযোগ এসেছিল।
দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন।তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মেয়েকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে বলেছিলেন।
নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন গোলকিপিং নিয়ে তাদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়।
সেদিনের স্মৃতি টেনে আমিনুল হক বলেন, জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, ‘আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।’ মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন আমিনুল হক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জাইমা রহমানের চেলসিতে সুযোগ পাওয়া নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রতিমন্ত্রী

Update Time : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব চেলসির নারী দলের গোলকিপার হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের এ মন্তব্য ক্রীড়াঙ্গনে আলোচিত হচ্ছে। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।
গতকাল রোববার মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে অ্যাডমিনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ অবস্থান তুলে ধরা হয়।
এতে লেখা রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল প্যাশন এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি প্রকৃত ঘটনা সংবাদমাধ্যমকে জানান।
আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন ফুটবল খেলতেন। সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার সুযোগ এসেছিল।
দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন।তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মেয়েকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে বলেছিলেন।
নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন গোলকিপিং নিয়ে তাদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়।
সেদিনের স্মৃতি টেনে আমিনুল হক বলেন, জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, ‘আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।’ মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন আমিনুল হক।