০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁশখালীতে বন্যার পানি কমলেও ত্রাণ মিলছে না দুর্গতদের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ৭ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

টানা এক সপ্তাহ অতিবর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে উপজেলার ৩ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি ছিল। সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর থেকে পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

সোমবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বাহারছাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ইলশা, সরল, গন্ডামারা এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। এসব অঞ্চলের ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ওই এলাকায় অতিরিক্ত পানি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক না থাকায় তারা সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের সুবিধা পাননি।

কাথারিয়া ইউনিয়নের মানিকপাঠান এলাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক আবদুল করিম জানান, বন্যায় যেখানে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেখানে পর্যাপ্ত ত্রাণ যায়নি। যারা ত্রাণ নিয়ে আসে তারা রাস্তার পাশে দিয়ে চলে যায়।

পশ্চিম গন্ডামারা লবণচাষি সমিতির সভাপতি আবু আহমেদ জানান, পশ্চিম গন্ডামারা এলাকায় বন্যার পানিতে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তারা এখনো পর্যন্ত কোনো ধরনের সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের সহযোগিতা পাননি। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ত্রাণবাহী গাড়িগুলো ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারছে না। অনুমান করা হচ্ছে পশ্চিম গন্ডামারায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন জানান, দুর্গত এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। এসব এলাকায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন গ্রুপ থেকে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ কাছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবার ব্যবস্থায় সোমবার পর্যন্ত ১০০ টন চাল ও ৫ হাজার পরিবারে শুকনো খাবার বিতরণ করেছি। ইতোমধ্যে আমাদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গত মানুষের প্রয়োজনে সব রকম সহায়তা দিচ্ছে সরকার : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বাঁশখালীতে বন্যার পানি কমলেও ত্রাণ মিলছে না দুর্গতদের

Update Time : ০৩:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

টানা এক সপ্তাহ অতিবর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে উপজেলার ৩ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি ছিল। সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর থেকে পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

সোমবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বাহারছাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ইলশা, সরল, গন্ডামারা এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। এসব অঞ্চলের ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ওই এলাকায় অতিরিক্ত পানি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক না থাকায় তারা সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের সুবিধা পাননি।

কাথারিয়া ইউনিয়নের মানিকপাঠান এলাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক আবদুল করিম জানান, বন্যায় যেখানে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেখানে পর্যাপ্ত ত্রাণ যায়নি। যারা ত্রাণ নিয়ে আসে তারা রাস্তার পাশে দিয়ে চলে যায়।

পশ্চিম গন্ডামারা লবণচাষি সমিতির সভাপতি আবু আহমেদ জানান, পশ্চিম গন্ডামারা এলাকায় বন্যার পানিতে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তারা এখনো পর্যন্ত কোনো ধরনের সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের সহযোগিতা পাননি। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ত্রাণবাহী গাড়িগুলো ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারছে না। অনুমান করা হচ্ছে পশ্চিম গন্ডামারায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন জানান, দুর্গত এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। এসব এলাকায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন গ্রুপ থেকে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ কাছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবার ব্যবস্থায় সোমবার পর্যন্ত ১০০ টন চাল ও ৫ হাজার পরিবারে শুকনো খাবার বিতরণ করেছি। ইতোমধ্যে আমাদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমেছেন।